মার্কেট টিকার    

জুনে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫.৪৮ শতাংশ



২০১৮-১৯ অর্থবছর শেষে গড় মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ। গত অর্থবছরে ছিল ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আর সরকারের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় শেষে এসব তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুারোর (বিবিএস) মহাপরিচালক কৃষ্ণা গায়েন।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, চাহিদার চেয়ে নিত্যপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ বেশি থাকায় দাম কম ছিল।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চাল, ডাল, শাক-সবজি মূল্য জুন মাসে কমেছে। গ্রামীণ পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি হয়েছে শতকরা ৫ দশমিক ৩৮ ভাগ, যা গত মে'তে ছিল শতকরা ৫ দশমিক ৪৪ ভাগ। অর্থাৎ কমেছে।

জুনে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উপ-খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে যথাক্রমে ৫ দশমিক ৫৮ ও ৫ দশমিক ০১ ভাগ, যা মে ২০১৯-এ ছিল যথাক্রমে শতকরা ৫ দশমিক ৬৭ ও ৫ দশমিক ০১ ভাগ। শহর পর্যায়ে জুনে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৭৮ ভাগ, যা মে মাসে ছিল ৫ দশমিক ৯৬ ভাগ। জুনে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উপ-খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে যথাক্রমে ৫ দশমিক ০১ ও ৬ দশমিক ৬৪ ভাগ, যা মে মাসে ছিল ৫ দশমিক ০৯ ও ৬ দশমিক ৯৫ ভাগ।




মুদ্রার হার

নামাজের সময়সূচি