মার্কেট টিকার    

বর্ষায় সুস্থতা: নিতে হবে বাড়তি কিছু সতর্কতা



কখনো প্রচণ্ড গরম আবার বৃষ্টির পরে ঠাণ্ডা আবহাওয়া। অনেকেই বৃষ্টির পানিতে ভিজেও এখন সর্দি-কাশি-জ্বরে ভুগছেন।আবহাওয়ার এ পরিবর্তনে সুস্থ থাকতে নিজেকেই মানিয়ে চলতে হবে। নিতে হবে বাড়তি কিছু সতর্কতা। যেমন:

বাইরে বের হওয়ার সময় রেইন কোট অথবা ছাতা নিয়ে নিন
অল্প বৃষ্টিতে শহরের রাস্তায় পানি জমে যায়, ডাস্টবিনের ময়লা নোংরা পানি থেকে বিভিন্ন চর্মরোগ হতে পারে
বাড়ি ফিরেই গরম পানি আর সাবান দিয়ে শরীর, বিশেষ করে পা ভালভাবে ধুতে হবে
পানিবাহিত রোগ যাতে না হয় এজন্য ফোটানো ও বিশুদ্ধ পানি পান করুন
রাস্তার পাশে তৈরি ফলের জুস, শরবত, লাচ্ছি ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন
বৃষ্টির পানি জমে এডিস মশা জন্মানোর পরিবেশ তৈরি করে
এজন্য লক্ষ্য রাখতে হবে বৃষ্টির পানি যেন কোথাও জমে না থাকে।

এরপরও ঠাণ্ডা লাগলে বা জ্বর হলে...
কয়েক কোয়া রসুন থেঁতো করে তেলে গরম করুন। তেল ফুটে উঠলে নামিয়ে নিন।
এই তেল হালকা গরম থাকতেই গলায়, বুকে ও পিঠে ম্যাসাজ করুন। কাশি, বুকের কফ, শ্বাসকষ্ট থেকে মুক্তি মিলবে।
পরিষ্কার থাকতে হবে, বিছনার চাদর বালিশের কভার নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
প্রচুর পানি ও ফ্রেশ ফলের জুস পান করুন
জ্বর, গলাব্যথা, সর্দি-কাশির সমস্যা সমাধানে তুলসী পাতার চা মধু দিয়ে পান করলে দ্রুত সুস্থ হবেন।

ঠাণ্ডা-জ্বর দুই তিন দিনেই ভাল হয়ে ‍যায়, কিন্তু যদি তিন দিনেও এমনিতে ভাল না হয়, অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।




মুদ্রার হার

নামাজের সময়সূচি