z

ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় যেসব দিকে খেয়াল রাখবেন



ডেস্কটপের বদলে ল্যাপটপেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন বেশিরভাগ মানুষ। যারা বাড়িতে বসে অফিসের কাজ করছেন তারা তো বটেই, অনেকে অফিসেও ল্যাপটপেই কাজ সারেন। কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়। ল্যাপটপ যদি সঠিকভাবে ব্যবহার না করেন, তবে শারীরিক নানারকম সমস্যায় ভুগতে হতে পারে। ঘাড়, পিঠ ও কাঁধের ব্যথা, পাশাপাশি দেখা যায় চোখের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আমরা অনেকেই ল্যাপটপ কীভাবে ব্যবহার করতে হবে এবং ব্যবহারের সময় দেহভঙ্গি ঠিক কীরকম হবে সে সম্পর্কে জানি না। তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক, ল্যাপটপে কাজ করার সময় কী করবেন এবং কী করবেন না-

কী করবেন * ল্যাপটপটি নির্দিষ্ট স্থানে রেখে কাজ করার জন্য একটি সঠিক সেট আপ করুন। কাজ করার জন্য ব্যবহার করুন টেবিল, চেয়ার।

* যেখানে ল্যাপটপ রাখবেন সেই টেবিলের উচ্চতা থেকে কম উচ্চতাযুক্ত চেয়ারে বসে কাজ করুন। যাতে কাজ করার সময় আপনার ঘাড় এবং মেরুদন্ড সোজা থাকে।

* টেবিলের উপরে ল্যাপটপটি এমনভাবে রাখবেন যাতে ল্যাপটপের স্ক্রিন আপনার চোখের সোজাসুজি থাকে, যাতে উপরের দিকে বা নিচের দিকে তাকিয়ে কাজ করতে না হয়।

* যে চেয়ারটিতে বসবেন, কোমরের কাছে বালিশ বা কুশন দিন, যাতে পিঠ সোজা রাখতে সাহায্য করে।

* ল্যাপটপের স্ক্রিন থেকে দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করুন, যাতে চোখের উপরে বেশি চাপ না পড়ে।

* দূরত্ব বজায় রাখার ক্ষেত্রে ল্যাপটপের কীবোর্ডে কাজ করবেন না। ল্যাপটপটি নির্দিষ্ট স্থানে রেখে আলাদা কীবোর্ড এবং মাউস ব্যবহার করুন। বেশি সময় ধরে কখনোই ল্যাপটপের কীবোর্ডে কাজ করবেন না।

* বসে কাজ করার ক্ষেত্রে সমস্যা হলে, একটি উঁচু টেবিলে ল্যাপটপ রেখে আপনি মাঝেমাঝে দাঁড়িয়ে কাজ করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রেও ঘাড়, পিঠ ও মাথা সোজা রেখে কাজ করতে হবে।

* একটানা কাজ না করে মাঝেমধ্যেই বিরতি নিন। এতে শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং পেশীগুলোও সক্রিয় হয়ে ওঠে।

* সুস্থ থাকতে নিয়মিত এক ঘণ্টা করে যোগব্যায়াম করুন, বিশেষ করে ঘাড়, কাঁধ, পিঠ, কোমর, ইত্যাদি ব্যায়ামগুলি।

কী করবেন না * ল্যাপটপ নিয়ে বিছানায় কিংবা সোফাতে শুয়ে বসে কাজ করবেন না।

* ল্যাপটপ কোলে তুলে কাজ করবেন না, এতে ঘাড় ও চোখের সমস্যা আগে দেখা দেয়।

* চেয়ারের থেকে টেবিলের উচ্চতা যাতে কম না হয় আবার চেয়ার ও টেবিলের উচ্চতা যাতে এক না হয়। এটি হলে আপনাকে ঝুঁকে কাজ করতে হবে, যার কারণে দেখা দিতে পারে ঘাড়, পিঠ ও কোমরের সমস্যা।

* কখনোই একটানা কাজ করবেন না।




মুদ্রার হার

নামাজের সময়সূচি